শনিবার, ০৬ Jun ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
মন্ত্রী আরো বলেন, প্রতারক এজেন্সির মালিকদের কেবল লাইসেন্স বাতিলই নয়, বরং তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা দায়ের করা হবে।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের সাথে উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে, যাতে বিশেষ বিবেচনায় বঞ্চিত কর্মীদের পুনরায় যাওয়ার সুযোগ অথবা সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
‘সিন্ডিকেটের কাছে মাথা নত করবে না সরকার’এমনটি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কোনো সিন্ডিকেট বা প্রভাবশালী চক্রের কাছে মন্ত্রণালয় মাথা নত করবে না। অভিবাসন খাতকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত করতে যা যা করা প্রয়োজন, তার সবকিছুই করা হবে। কর্মীদের রক্ত পানি করা টাকা নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলেছে, তাদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতেই হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, শেষ মুহূর্তে চড়া মূল্যে টিকিট কেটেও অনেক কর্মী উড়োজাহাজের সংকটের কারণে মালয়েশিয়া পৌঁছাতে পারেননি। অনেক এজেন্সি সময়মতো টিকিট বুকিং না করে কর্মীদের চরম অনিশ্চয়তায় ফেলেছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর চরম গাফিলতি প্রমাণিত হয়েছে এবং তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।